মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ মার্চ ২০১৫

ঋণ আদায় র্কাক্রম

ঋণ আদায় কার্যক্র্ম

 

ঋণের কিস্তি পরিশোধঃ

১) গৃহিত ঋণ নির্ধারিত পরিশোধ মেয়াদে সম-মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়।

২) কর্পোরেশন কর্তৃক ব্যাংকের নির্ধারিত শাখায় পরিশোধযোগ্য ঋণের কিস্তির টাকা জমা করতে হয়। ব্যাংকগুলোর শাখাসমূহ নিম্নরূপঃ

সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখাসমূহ, জনতা ব্যাংক পুরানা পল্টন শাখা (বিএইচবিএফসি ভবনের নীচ তলায় অবস্থিত), ঢাকা, ন্যাশনাল ব্যাংক কে.ডি.এ. এভিনিউ শাখা, খুলনা এবং স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের নির্ধারিত শাখাসমূহ।

 

নির্মাণকালীন সুদ আদায়ঃ

১) সাধারণতঃ ঋণের প্রথম কিস্তির চেক গ্রহণের পর ১৩তম মাস হতে ঋণ পরিশোধের কিস্তি শুরু হয়। তবে চেক গ্রহণ বিলম্বিত হলে শেষ চেক গ্রহণের ১ মাস পর হতে ঋণ পরিশোধ কিস্তি শুরু হয়।

২) বাড়ি নির্মাণকালীন সময়ে উত্তোলিত ঋণের উপর চার্জকৃত নির্মানকালীন সুদ (আই.ডি.সি.পি.) ঋণের কিস্তি শুরুর পূর্বে এককালীন পরিশোধ করা যায়। তবে গ্রহীতা ইচ্ছা করলে ঋণ পরিশোধের সমগ্র মেয়াদেও মাসিক কিস্তির সাথে আই. ডি. সি. পি পরিশোধ করতে পারেন।

৩) বাড়ি নির্মানকালীন সুদ বা আই. ডি. সি. পির উপর ঋণ পরিশোধকালীন কোন সুদ চার্জ করা হয় না। অর্থাৎ আই.ডি.সি.পিকে আসলে রূপান্তর করা হয় না। প্রদত্ত ঋণের উপর সার্ভিস বা অন্য কোন চার্জ গ্রহণ করা হয় না। 

ঋণ গ্রহন ও সুদ চার্জঃ

১) বাড়ীর নির্মান কাজের অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে সাধারণত ৪ হতে ৬টি কিস্তিতে মঞ্জুরীকৃত ঋণের চেক প্রদান করা হয়।

২) শুধু উত্তোলিত ঋণের উপর সুদ চার্জ করা হয়। কখনই খেলাপী ঋণের সুদের কিস্তির উপর সুদ চার্জ করা হয় না। অর্থাৎ কর্পোরেশন প্রদত্ত ঋণের উপর সরল সুদ চার্জ করে এবং কখনই সুদের উপর সুদ চার্জ করে না।

 

কিস্তি পরিশোধ

১.  পরিশোধযোগ্য ঋণ নিয়মিত প্রতিমাসে পরিশোধ করা না হলে নির্ধারিত সময়ে (ঋণ পরিশোধ মেয়াদের মধ্যে) ঋণ পরিশোধ সম্ভবপর হয় না। ঋণের কিস্তি খেলাপী হলে নানা রকম ঝামেলা এমনকি আইনগত ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে।

২. নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ  করা না হলে এবং খেলাপী কিস্তি সংখ্য ১২ কিস্তির উর্দ্ধে হলে খেলাপী কিস্তির আসল টাকার উপর ৩% অতিরিক্ত চার্জ করা হয়।

৩. নির্ধারিত পরিশোধ মেয়াদের পূর্বে যে কোন সময়ে ঋণের সমুদয় পাওনা পরিশোধ করা যায়, এক্ষেত্রে কেবল ভোগকৃত সময় পর্যন্ত সুদ আসলের সাথে নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করতে হয়।

 

খেলাপী ঋণ নিয়মিতকরণঃ

১.  খেলাপী ঋণ গ্রহীতাদের সাময়িক আর্থিক সমস্যার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে খেলাপী ঋণ রিসিডিউলের (পুন.তফসিলীকরণ) মাধ্যমে নিয়মিতকরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মামলাধীন (নির্ধারিত ডাউন পেমেন্ট জমা প্রদান সাপেক্ষে কোর্টের মাধ্যমে সোলে নিষ্পত্তির মাধ্যমে) কিংবা মামলাবিহীন  ঋণ হিসাবের গ্রহীতাগণও নিম্নোক্ত নির্ধারিত হারে ডাউন পেমেন্ট জমা দিয়ে তাদের ঋণ হিসাব রিসিডিউলের মাধ্যমে হালনাগাদ করতে পারেনঃ

* ১ম বার রিসিডিউলিংঃ খেলাপী ঋণের নূন্যতম ১৫% অথবা সমুদয় পাওনা টাকার ১০% এই দুইয়ের মধ্যে যাহা কম।

 

* ২য় বার রিসিডিউলিং        ঃ খেলাপী ঋণের নূন্যতম ৩০% অথবা সমুদয় পাওনা টাকার ২০% এই দুইয়ের মধ্যে যাহা কম।

 

* ৩য় বার রিসিডিউলিং        ঃ খেলাপী ঋণের নূন্যতম ৫০% অথবা সমুদয় পাওনা টাকার ৩০% এই দুইয়ের মধ্যে যাহা কম।

 

২. রিসিডিউলের (পুন. তফসিলীকরণ) জন্য উপরোক্ত হারে/ হিসাব অনুযায়ী জমাতব্য ডাউন পেমেন্টের টাকা এককালীন জমা করা সম্ভব না হলে কিস্তিতেও জমা করা যায়। এক্ষেত্রে প্রথম জমার ৯০ দিনের মধ্যে অবশিষ্ট জমাতব্য টাকা জমা করা যায় (পরিবর্তনযোগ্য)।

 

Help Desk

 

গ্রহীতাদের ঋণ প্রদান সহজীকরন এবং সেবার মান বাড়াতে বিএইচবিএফসি’র সদর দফতর ভবনে 'Help Desk' খোলা হয়েছে। গ্রাহকদের হিসাব বিবরণী প্রদান, ঋণের কিস্তির টাকা জমা দেয়ার বই ও ঋণ সংক্রান্ত সাময়িক আবেদন ফরম প্রদান এবং ঋণ বিষয়ক পরামর্শ প্রদানসহ ঋণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দেয়া 'Help Desk' এর কার্যক্রমের অন্তর্ভূক্ত। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে সকল অফিসে One stop service প্রদানের লক্ষ্যে 'Help Desk' স্থাপন করা হয়েছে।

 

অভিযোগ বক্সঃ

 

সম্মানিত ঋণ গ্রহীতাদের যে কোন বিষয়ে অভিযোগ প্রদানের জন্য কর্পোরেশন ভবনের ৩য় তলায় একটি অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হয়েছে।

 

মামলা দায়ের ও ঋণ আদায়ঃ

খেলাপী কিস্তির সংখ্যা ও পরিমান সহনীয় মাত্রা অতিক্রম করলে সংশ্লিষ্ট ঋণ কেইসে সমূদয় পাওনা আদায়ের জন্য কর্পোরেশন মামলা দায়ের করে থাকে।

 

খরিদাবাড়ি সংক্রান্ত:

 

নিয়মিত সকল আদায় কার্যক্রম ব্যর্থ হলে কর্পোরেশন খেলাপী ঋণ গ্রহীতার বিরুদ্ধে পাওনা আদায়ের জন্য ‘মিস মামলা’ দায়ের করে থাকে। মিস মামলার রায়ের আলোকে দ্বিতীয় পর্যায়ে জারী মামলা দায়ের করা হয়। জারী মামলায় আদালত কর্তৃক পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে কর্পোরেশনের ঋণভুক্ত সংশ্লিষ্ট বাড়ী নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের প্রচেষ্টা চালায়। কর্পোরেশনের পাওনা আদায়ে কোর্টের মাধ্যমে ১ম, ২য় ও ৩য় নিলামেও উপযুক্ত মূল্য পাওয়া না গেলে- তৃতীয় নিলাম এর পর কর্পোরেশন বিধিবদ্ধ ‘‘পাউন্ডেজ ফি’’ (Poundage Fee) জমা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে নিজেই বাড়ী ক্রয় করে নেয়। পরবর্তী পর্যায়ে কর্পোরেশন খরিদকৃত বাড়ী বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পত্রিকায় টেন্ডার আহবানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করে।


Share with :
Facebook Facebook