মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ এপ্রিল ২০১৬

কর্পোরেশন পরিচিতি

 

 

 

প্রতিষ্ঠান : দেশের গৃহায়ন সমস্যার সমাধানে সহায়ক ভূমিকা হিসেবে জনসাধারনকে গৃহ নির্মান খাতে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের উদ্দেশ্যে  ১৯৫২ সালে হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে স্বাধীনতা উত্তর ১৯৭৩ সালে জারীকৃত রাষ্ট্রপতির ৭নং আদেশ বলে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (বিইচবিএফসি) পুনর্গঠিত হয়।

 

উদ্দেশ্য : মানুষের ৫টি মৌলিক চাহিদার অন্যতম হলো বাসস্থান। এই প্রকট আবাসিক সমস্যার সমাধানে সহায়তা প্রদান করাই বিএইচবিএফসির মূল উদ্দেশ্য । গৃহায়ন খাতে অর্থ সংস্থানের ক্ষেত্রে বিএইচবিএফসি কয়েক যুগ ধরে এ দেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করে আসছে। যদিও কয়েকটি বানিজ্যিক ব্যাংক খাতে ঋণ প্রদান করে থাকে, তবুও একথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, গৃহায়ন থাতে মধ্যবিত্ত নিম্নমধ্যবিত্তদের জন্য বিএইচবিএফসি ঋণ প্রদানের অন্যতম প্রধাণ উৎস।

 

মালিকানা : এ কর্পোরেশনের পরিশোধিত মূলধনের সবটাই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিশোধিত এবং এটি সরকার পরিচালিত একটি বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

 

মূলধন ও তহবিলের উৎস: কর্পোরেশনের তহবিলের মূল উৎস সরকার কর্তৃক পরিশোধিত মূলধন কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধনের পরিমান ১১০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ১১০ কোটি টাকা। এছাড়াও অর্থমন্ত্রনালয়ের সহায়তায় সরকারী গ্যারান্টির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বানিজ্যিক ব্যাংকসমূহের নিকট ডিবেঞ্চার বিক্রির মাধ্যমে কর্পোরেশনের তহবিল সংগ্রহ করে থাকে।

 

কার্যালয় সমূহ : কর্পোরেশনের সদর দফতর ঢাকায় অবস্থিত। সদর দফতরে ০৩ (তিন) টি মহাবিভাগ এবং ১১ টি বিভাগ রয়েছে। কর্পোরেশনের সদর দফতর ব্যতীত ঢাকায় ৫টি এবং চট্রগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর বিভাগীয় সদর এবং ময়মনসিংহ, নারায়নগঞ্জ ও সাভারে ১৪টি জোনাল অফিস রয়েছে। টাংগাইল, জামালপুর, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাংগামাটি, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, বগুড়া ও দিনাজপুর, কিশোরগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে ১টি করে মোট ১৫টি রিজিওনাল অফিস আছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায়একটি ক্যাম্প অফিস রয়েছে।

 

ব্যবস্থাপনা: কর্পোরেশনের পরিচালনা পর্ষদ সরকার কর্তৃক মনোনীত। একজন চেয়ারম্যান ও একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পরিচালনা পর্ষদ ৬(ছয়) সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত। ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্পোরেশনের নির্বাহী এবং পদাধিকার বলে পরিচালনা পরিষদের একজন সদস্য। কর্পোরেশনের সার্বিক নীতিমালা প্রণয়ন  পরিচালনা কার্যক্রমের বিভিন্ন পরিচালনা পর্ষদ দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। সরকারী নির্দেশনার আলোকে কর্পোরেশনের কার্যক্রম বানিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ও এখতিয়ার পরিচালনা পরিষদের উপর ন্যস্ত এবং কর্পোরেশনের স্বার্থে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহন করা। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রদত্ত সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য করা হয়। পরিচালনা পর্ষদের কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে বা কর্পোরেশনের অন্য যে কোন কার্যালয়ে চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে পরিচালনা পর্ষদের নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্পোরেশনের  প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং মহাব্যবস্থাপকণ ব্যবস্থাপনা পরিচালককে সহায়তা করেন।


Share with :
Facebook Facebook